চতুর্থ শ্রেণির গণিত: বড় গুণ, ভাগ আর খেলা
বিনা মূল্যেরেজিস্ট্রেশন লাগে নাখেলায় বিজ্ঞাপন নেইপ্রিন্ট করা যায়
চতুর্থ শ্রেণি · NCTB প্রাথমিক গণিত (বাংলাদেশ)

চতুর্থ শ্রেণির মিশ্র অংক · ১০টি প্রশ্ন · সময়ের বাঁধা নেই · কি-প্যাড ·
চতুর্থ শ্রেণিতে শিশু কী শেখে
- কোটি পর্যন্ত সংখ্যা, স্থানীয় মান (অযুত, লক্ষ, নিযুত, কোটি), কমা দিয়ে লেখা (১,২৫,০০০)
- বড় যোগ ও বিয়োগ (চার-পাঁচ অংক) → হাতে রেখে যোগ, হাতে রেখে বিয়োগ
- গুণ: তিন অংকের সংখ্যাকে দুই অংকের সংখ্যা দিয়ে → নামতা ১১ আর ১২ কাজে লাগে: ১১-এর নামতা, ১২-এর নামতা
- ভাগ: দুই অংকের ভাজক দিয়ে লম্বা ভাগ ভাগ করার নিয়ম
- যোগ বিয়োগ গুণ ভাগের কাজের ক্রম, বন্ধনী (সরলের শুরু) ভাগের খেলা
- গুণিতক ও গুণনীয়ক, মৌলিক সংখ্যা, বিভাজ্যতা
- ভগ্নাংশ, দশমিকের শুরু, পরিমাপ, সময়, জ্যামিতি (রেখা, কোণ), উপাত্ত
- মানসাঙ্ক মানসাঙ্ক
তালিকাটি বাংলাদেশের চতুর্থ শ্রেণির প্রাথমিক গণিত বইয়ের বিষয় অনুযায়ী সাধারণ ধারণা।
প্রিন্টের ওয়ার্কশিট
চতুর্থ শ্রেণির গণিত - অনুশীলনী ১
A4 · 10টি অংক · উত্তরমালাসহ

প্রিন্ট হওয়ার ফাঁকে খেলুন: চতুর্থ শ্রেণি গণিত
চতুর্থ শ্রেণির ভাগ অংক
A4 · 20টি অংক · উত্তরমালাসহ

প্রিন্ট হওয়ার ফাঁকে খেলুন: চতুর্থ শ্রেণি গণিত
কোনটির কাজ আগে?
A4 · 20টি অংক · উত্তরমালাসহ

প্রিন্ট হওয়ার ফাঁকে খেলুন: চতুর্থ শ্রেণি গণিত

চতুর্থ শ্রেণির গণিত: বড় সংখ্যা, বড় গুণ-ভাগ
চতুর্থ শ্রেণির গণিতে সংখ্যা হঠাৎ অনেক বড় হয়ে যায়: অযুত, লক্ষ আর কোটি, আর তার সাথে তিন অংকের সংখ্যাকে দুই অংক দিয়ে গুণ আর দুই অংকের ভাজক দিয়ে ভাগ। এসব বড় অংকের ভেতরে আসলে লুকিয়ে থাকে ছোট ছোট নামতা আর বিয়োগ। তাই চতুর্থ শ্রেণির ভাগ অংকে যে শিশু আটকায়, তার সমস্যা প্রায়ই নামতায়। এই পাতার মিশ্র খেলা নামতা ১২ পর্যন্ত আর ভাগের নামতা দ্রুত বলার অনুশীলন করায়।
দুই অংকের ভাজক দিয়ে ভাগ
৮৬৪ ÷ ১২-এর মতো ভাগে প্রতিটি ধাপে আন্দাজ করতে হয়: ৮৬-এ ১২ কতবার? ১২ × ৭ = ৮৪, ১২ × ৮ = ৯৬ বেশি, তাই ৭। তারপর ৮৬ − ৮৪ = ২, ৪ নামিয়ে ২৪, ১২ যায় ২ বার: উত্তর ৭২। আন্দাজের জন্য ১১ আর ১২-এর নামতা জানা থাকলে অনেক সুবিধা। প্রথম ওয়ার্কশিটে দুই অংকের ভাজক দিয়ে এমন ৬টি ভাগ আছে, উত্তরমালায় ধাপসহ।
যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ: কোনটির কাজ আগে
চতুর্থ শ্রেণিতে প্রথম এমন অংক আসে যেখানে কয়েকটি প্রক্রিয়া একসাথে: ৩৬ ÷ ৪ + ৫ × ২। নিয়ম হলো: আগে বন্ধনী, তারপর ভাগ ও গুণ (বাঁ দিক থেকে), তারপর যোগ ও বিয়োগ। এখানে ৩৬ ÷ ৪ = ৯, ৫ × ২ = ১০, তারপর ৯ + ১০ = ১৯। একটি ওয়ার্কশিটে এমন ২০টি অংক আছে, উত্তরমালাসহ।
যা এখনো খেলায় নেই
গুণিতক, গুণনীয়ক, গসাগু-লসাগু, ভগ্নাংশ, দশমিক আর জ্যামিতির খেলা এখনো তৈরি হয়নি। এই বিষয়গুলোর জন্য পাঠ্যবই আর শিক্ষকের ব্যাখ্যাই প্রধান; এখানে আমরা সেই দক্ষতাগুলোর অনুশীলন দিই যেগুলো সব বিষয়ের ভিত্তি: নামতা, ভাগ আর মানসাঙ্ক। নতুন খেলা এলে "নতুন যা এসেছে" পাতায় জানানো হবে।
নামতা ১২ পর্যন্ত কেন
চতুর্থ শ্রেণির বড় গুণ আর ভাগে ১১ আর ১২ প্রায়ই আসে, যেমন ডজনের অংক বা মাসের হিসাব (১২ মাস)। তাই এই পাতার মিশ্র খেলায় নামতা ১২ পর্যন্ত থাকে। ১১-এর নামতার "অংক দুবার" কৌশল আর ১২-এর "১০ আর ২" কৌশল দুটোই মানসাঙ্কেও কাজে লাগে।
বাড়িতে কীভাবে সাহায্য করবেন
চতুর্থ শ্রেণির শিশু সাধারণত একাই খেলতে পারে, তবু সপ্তাহে একবার তার পাশে বসে শেষ পর্দার তালিকাটা দেখুন। কোনো নামতা বা ভাগের ধাপে বারবার ভুল হলে সেই পাতায় গিয়ে উদাহরণটা একসাথে পড়ুন, তারপর একটি ওয়ার্কশিট করান। বড় ভাগে শিশুকে প্রতিটি ধাপ জোরে বলতে বলুন: "ভাগ, গুণ, বিয়োগ, নামাও" - এতে কোথায় আটকাচ্ছে তা সহজে বোঝা যায়।
চতুর্থ শ্রেণির ওয়ার্কশিট
তিনটি তৈরি ওয়ার্কশিট আছে: বড় গুণ আর দুই অংকের ভাজক দিয়ে ভাগের অনুশীলনী, ভাগশেষসহ ভাগের ২০টি অংক, আর "কোনটির কাজ আগে?" নিয়ে ২০টি অংক। উত্তরমালায় সমাধানের ধাপও আছে, যাতে শিশু নিজের ভুল নিজে খুঁজে পায়।
গসাগু আর লসাগুর আগে
গসাগু আর লসাগু বের করতে গুণনীয়ক আর গুণিতক খুঁজতে হয়, আর তার পুরোটাই নামতা আর ভাগের ওপর দাঁড়িয়ে। ২৪-এর গুণনীয়ক খুঁজতে শিশুকে জানতে হয় ২৪ কোন কোন সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে ভাগ যায়: ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮, ১২, ২৪। তাই এই অধ্যায়ের আগে এক সপ্তাহ ভাগের নামতার খেলা খেললে কাজ অনেক সহজ হয়। গুণিতকের জন্য নামতাটাই যথেষ্ট: ৬-এর গুণিতক মানে ৬-এর নামতার উত্তরগুলো।
এক নজরে
নামতা ১২ পর্যন্ত, দুই অংকের ভাজক দিয়ে ভাগ আর কাজের ক্রম - চতুর্থ শ্রেণির তিনটি মূল দক্ষতা: নামতার খেলা আর বাকি দুটির ওয়ার্কশিট এখানে আছে। বাকি বিষয়গুলোর ভিত্তিও এগুলোই। প্রতিদিন দশ মিনিট খেলাই যথেষ্ট। ভুল হলে আবার চেষ্টা।
প্রশ্ন ও উত্তর
চতুর্থ শ্রেণির গণিতে কী কী আছে?
কোটি পর্যন্ত সংখ্যা, বড় যোগ-বিয়োগ, গুণ ও ভাগ, কাজের ক্রম, গুণিতক-গুণনীয়ক, মৌলিক সংখ্যা, ভগ্নাংশ, দশমিক, পরিমাপ, জ্যামিতি আর উপাত্ত।
চতুর্থ শ্রেণির ভাগ অংক কেন কঠিন লাগে?
কারণ প্রতিটি ধাপে ভাজক কতবার যায় তা আন্দাজ করতে হয়। নামতা পাকা থাকলে আন্দাজ দ্রুত হয়।
৩৬ ÷ ৪ + ৫ × ২ কত?
১৯। আগে ভাগ আর গুণ (৯ আর ১০), তারপর যোগ।
লক্ষ কীভাবে লেখে?
১ লক্ষ = ১,০০,০০০। বাংলাদেশে কমা বসে শেষ তিন অংকের আগে, তারপর দুই অংক পরপর: ১২,৫০,০০০।
চতুর্থ শ্রেণি গণিতে ভাগ অংক প্রশ্ন বা দ্বিতীয় অধ্যায় কোথায়?
চতুর্থ শ্রেণি গণিতের ভাগ অংক প্রশ্ন দ্বিতীয় PDF-এ। বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের সমাধান আমরা দিই না; সেই অধ্যায়ের বিষয় (যেমন গুণ বা ভাগ) এখানে খেলায় অনুশীলন করা যায়।